উন্নত জাতের গরুর বীজের নাম সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন
Grow With Nazmin ☑️
১৩ আগ, ২০২৫
উন্নত জাতের গরুর বীজের নাম সম্পর্কে আপনি জানতে আগ্রহী? আপনি যদি একজন নতুন
খামারী হিসেবে সফল হতে চান তাহলে বিষয়টি আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।তাই আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন ।
আপনি যদি দেশী গরু থেকে উন্নত জাতের গাভী তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে উন্নত
জাতির গরুর বীজের নাম সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। আমাদের আজকের আর্টিকেলে উন্নত
জাতের গরুর বীজের নাম নামসহ আনুষাঙ্গিক আরও বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।
যাদের দেশি গরু আছে অনেকেই হয়তো খামার করার কথা ভাবছেন অথবা অনেকে তিন-চারটি গরু
আছে সেগুলোকে উন্নত জাতের রূপান্তর করেই আপনি খামার করতে পারবেন। আপনাকে কিনতে
হবে না। একটি দেশি গরু যদি দৈনিক ৪ লিটার দুধ দেয় তাহলে আপনি ১০০% বীজ
দিতে পারবেন। এতে লাভ হবে ১০০% বীজের যে বাছুর হবে সেটির বাছুর গাভী হলে
দুধ দেয়ার কথা ৩০-৩৫ লিটার।যে বাছুর হবে তাকে যদি দৈনিক চার লিটার করে দুধ খাওয়া
নিয়ম অনুযায়ী বড় করেন সঠিক উপায় যত্ন নেন তাহলে এই বকনা বাছুরটি ও একসময় মা
হবে এবং এই বদনা বাছুর কতটুকু দুধ দিবে তা নির্ভর করে মা ও তার যে পুরুষ বীজ তার
বৈশিষ্ট্যের অর্ধেক দুধ দিবে।
অর্থাৎ আপনার বেশি গরুর চার লিটার করে দুধ দিত আপনার বীজ দিয়েছেন ৩০ লিটার
দুধের অর্থাৎ ১০০% বীজ দিয়েছেন।ওই বকনা বাছুরটি ৩০ যোগ ৪ অর্থাৎ ৩৪ এর অর্ধেক ১৭
লিটার দুধ দিবে। যদি আপনি বাছুরকে দৈনিক ৪ লিটার দুধ খাওয়ান নিয়ম অনুযায়ী যত্ন
করেন ও কৃমির ওষুধ দেন ও পরিমাণ অনুযায়ী সুষম দানাদার খাদ্য খাওয়ান এবং
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জায়গায় রাখেন গবাদি পশুর বিভিন্ন রোগবালায় প্রতিরোধ
করতে পারেন তাহলে অবশ্যই প্রায় ১৭ লিটার দুধ দিবে অথবা তার থেকেও বেশি দুধ দিতে
পারে। তাই গরুর গাভীকে উন্নত জাতের গাভীকে বীজ দেওয়া খুবই জরুরী। যে কিছু উন্নত
জাতের গরুর বীজের নাম তুলে ধরা হলো।
হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান : দুগ্ধ উৎপাদনকারী জাতের মধ্যে সবথেকে উন্নত জাত হলিস্টিন
ফ্রিজিয়ান। জার্সি: দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য এটি একটি লাভজনক জাত শাহীওয়াল: মাংস ও দুধ উৎপাদন দুটোর জন্য এটি একটি উন্নত জাত। ব্রাহ্মমা: এ জাতটি মাংস দুধ ও চামড়ার জন্য একটি উন্নত জাত। যা খামার
ব্যবসায়ীদের জন্য লাভজনক। এনগাস ব্ল্যাক/রেড: মাংস উৎপাদনকারী জাতের গরু। হেয়ারফোর্ড: মাংস উৎপাদনকারী জন্য ভালো জাত গির: এ জাতটি মাংস এবং দুধ উৎপাদন মাংস দুটোর জন্যই ভালো। ফ্রেকভি: মাংস ও দুধ উভয় জাতের জন্য উপযোগী জাত আইরিশ মোল্ড: মাংস ও দুধ উভয় জাতের জন্য উপযোগী সাউথ ডেভন: মাংস ও দুধ উভয় জাতের জন্য উপযোগী ফ্রেকভি: মাংস ও দুধ উভয় জাতের জন্য উপযোগী।
রেড চিটাগাং: এটি দেশি জাতের গরু যা মাংস ও দুধ উৎপাদন উভয়ের জন্যই উপযোগী।
জেবু: এটি এশিয়া ও আফ্রিকার স্থানীয় জাতের গরু যা ভারবাহী ক্ষমতা, রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতা মাংস ও দুধ উৎপাদনের জন্য পরিচিত। হরিয়ানা,মালভি,ধারপারকার: এ গরুর জাতগুলো ভারতীয় অঞ্চলের জাত। এ জাতগুলো
সাধারণত ভার্বাহী ক্ষমতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা,দুধ ও মাংস উৎপাদনের জন্য পরিচিত।
উন্নত জাতের গরুর বীজের নাম এবং বিভিন্ন জাতের গরুর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানা একজন
খামারে জরুরী। আপনি যদি একজন সফল খামারি হতে চান তাহলে আপনাকে বিভিন্ন জাতের গরুর
বীজের নাম এবং বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সম্পন্ন জ্ঞান থাকতে হবে। উন্নত জাতের গরুর
বীজের মধ্যে কিছু জাত রয়েছে যেগুলো দুধ উৎপাদনের জন্য উপযোগী এবং কিছু জাত
রয়েছে যেগুলো মাংস উৎপাদনের জন্য উপযোগী। আবার কিছু জাত রয়েছে যেগুলো দুধ এবং
মাংস দুটোর জন্যই উপযোগী। একজন খামারি হিসেবে গরুর জাত নির্বাচনের সময় আপনাকে
কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে যেমন আপনি যে জাতটি বাছাই করছেন তা স্থানীয় জলবায়ু ও
আবহওয়ার সাথে মানিয়ে নিতে পারবে কিনা এবং জাতটি দ্রুত বর্ধনশীল কিনা ইত্যাদি।
মাংস উৎপাদনের জন্য পরিচিত ও জনপ্রিয় কিছু জাতের নাম সম্পর্কে আপনাদেরকে ধারণা
দেওয়া হলো।
হেয়ারফোর্ড
এনগাস ব্ল্যাক ও রেড
শারোলাইস
সিমেন্টাল
লিমোজিন
বেলজিয়াম ব্লু
পলামিনো
ডেক্সটার
ইন্টারন্যাশনাল ব্রামান
গাইড
বাংলাদেশের আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নিতে পারে দ্রুত বর্ধনশীল ও মাংস
উৎপাদনের জন্য জনপ্রিয় কিছু জাতের নাম নিচে উল্লেখ করা হলো।
শাহীওয়াল
শংকর জাতের গরু
ব্রাহ্মমা
অ্যাঙ্গাস
বেলজিয়াম ব্লু
রেড চিটাগাং
লিমুজিন
সিন্ধি
মীর কাদিম
গির
শংকর জাতের গরুর নাম
দেশী গরুর সাথে উন্নত জাতের ষাঁড়ের প্রজননের মাধ্যমে যে গরু তৈরি হয় সেগুলো শংকর
জাতের গরু হিসেবে পরিচিত। শংকর জাতের গরুর চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলছে এবং এটি
খামারিদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। কারণ সংকর জাতের গরু বাংলাদেশের আবহাওয়া সাথে
মানিয়ে নিতে পারে এবং এই জাতের গরুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশি গরুর চাইতে বেশি।
আকারে বড় লালন পালনের সুবিধা সংকর জাতের এই গরু দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য বেশ
উপযোগী। নিচে শংকর জাতের গরুর নামের তালিকার গুরুদ নামের তালিকা দেওয়া হল।
হলেস্টিন ফ্রিসিয়ান
শাহীওয়াল
জার্সি
লাল সিন্ধি
ব্রাউন সুইস
এয়ার শায়ার
জার্সি গরুর জাত পরিচিতি
উন্নত জাতের গরুর বীজের নাম এর মধ্যে যে কয়টি জাত রয়েছে তার মধ্যে জার্সি
গরু অন্যতম এবং এই জাত দুধ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। আপনি জানলে অবাক হবেন
সারা বিশ্বে যতগুলো বাণিজ্যিক দুধ উৎপাদনকারী জাত আছে তার মধ্যে সবথেকে পুরাতন
জাত হলো জার্সি। ১৮০০ সালের আগের থেকে ইংল্যান্ড কানাডা অস্ট্রেলিয়া এই গরু
আমদানি করে পালন করে আসছে। বিশ্বব্যাপী এই গরুর জনপ্রিয়তার মূল কারণ হলো এর আকার
ছোট এবং কম খাদ্য খায়। এবং এর দুধ অনেক বেশি ঘন এবং কম ফ্যাট যুক্ত।
জার্সি গরুর উচ্চতা হয় ১১৫ থেকে ১২৫ সেন্টিমিটার এবং ওজন ৩৫০ থেকে ৪০০
কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। এবং এর রং হয়ে থাকে হালকা বাগামি তবে কোন কোন গরুর
গায়ে হালকা ছাপ থাকতে পারে। গরুর মধ্যে বেশিরভাগ গরুই শান্ত থাকে যার জন্য এর
দুধ দহন অনেকটা সহজ হয়। এই গরুর দৈনিক ১৮ থেকে ২০ লিটার পর্যন্ত দুধ দিয়ে থাকে
এবং দুধের ফ্যাট প্রায় ৫ থেকে ৬ শতাংশ। যেটা অন্যান্য গরু থেকে প্রায় ডাবল। এবং
প্রোটিন ৩. ৮ শতাংশ যা অন্যান্য গরু থেকে বেশি। উৎপাদনকারীরা ঘি দুধ চিজ তুলিতে
জার্সি গরুর দুধ সবার আগে বেছে নেয়।
গরুর জাত ভালো কি খারাপ সেটা নির্ভর করছে গরুর দুধ ও মাংস উৎপাদন ক্ষমতা
বিভিন্ন আবহাওয়া ও পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা, সহজ লালন-পালন ও ভালো
প্রজননের ওপর নির্ভর করে। বিবেচনা করে সব থেকে ভালো জাতের গরু হচ্ছে ফ্রেকভি
জাতের গরু।এই জাতটি মাংস এবং দুধ দুটার জন্যই জনপ্রিয়। এই জাতের গরুর দুধের
ফ্যাট ও প্রোটিন অন্যান্য জাতের থেকে অনেক বেশি।এর দুধের ফ্যাট ৪. ২ থেকে ৪.৪
শতাংশ পর্যন্ত। এবং মিল্ক প্রোটিন ৩. ৫-৩. ৮% পর্যন্ত। জাতের একটি ষাঁড়ের উচ্চতা
১৫০-১৬৫ পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং গাভীর উচ্চতা হয়ে থাকে ১৪০ থেকে ১৫০ সেন্টিমিটার
পর্যন্ত।
সুইজারল্যান্ড আদিবাসী স্থান। যেহেতু বর্তমানে সরকারিভাবে কোন আমদানি নেই এই
জাতের অনেক কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে ফিল্ডে এর সিমেন ছেড়েছে। খামারি ভাইদের
জন্য একটি স্বপ্নের রাগ হতে পারে এই ফ্রেকভি গরু। সরকারিভাবে এর সিমেনের সাপ্লাই
না থাকার কারণে বেশি দামে বিক্রয় করা হচ্ছে এই ফ্রেকভি জাতের সিমেন। অল্প পুঁজির
খামারিদের জন্য কষ্টসাধ্য। ছাড়াও রয়েছে দুধের জন্য হলেস্টিন ফ্রিজিসান জাতের
গরু বেশ জনপ্রিয় আমাদের দেশে। মাংস উৎপাদনে উপযোগী ব্রাহ্মমা জাতের গরু আমাদের
দেশে বেশ জনপ্রিয়।
কোন জাতের গাভী সবচেয়ে বেশি দুধ দেয়?
আপনি যদি দুধ উৎপাদনকারী গাভী লালন পালন করতে চান তাহলে যে সকল জাতের গাভী বেশি
দুধ দেয় লালন পালন করতে হবে যাতে আপনি লাভবান হতে পারেন। কারণ অনুন্নত জাতের
গাভী থেকে আপনি বেশি দুধ পাবেন না সে ক্ষেত্রে আপনি ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। যেমন
একটি অনুন্নত জাতের গাভীর পেছনে ২০০ টাকার খাবার খাইয়ে দুধ পাচ্ছেন ৪/৫ কেজি যার
বাজার মূল্য মাত্র ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। অর্থাৎ আপনার যেমন আয় হচ্ছে তেমনি ব্যয়
হচ্ছে।
অন্যদিকে একটি উন্নত জাতের গাভী থেকে ৮ থেকে ১০ কেজি দুধ পেতে পারেন যার
বাজার মূল্য প্রায় ৪০০থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। আপনি অনায়াসে একই অর্থ ব্যয় করে
অর্থাৎ আপনি অনায়াসেই একই অর্থ ব্যয় করে লাভবান হতে পারছেন। তাই গাভী যদি
লালন-পালন করতে হয় এমন জাতের গাভী লালন-পালন করতে হবে যেসব গাভী বেশি দুধ দেয়।
বেশি দুধ দেয় এমন জাতের কয়েকটি গাভীর নাম আপনাকে কে বলব যে সকল গাভী আপনাদের
আশেপাশের বাজার বা হাট হতেই ক্রয় করতে পারবেন।
লাল সিন্ধি: প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ২০ লিটার দুধ উৎপাদন করতে পারে এই লাল
সিন্ধি।
জার্সি: এই জাতের গাভী প্রায় ১৫ থেকে ২০ লিটার দুধ উৎপাদন করতে পারে।
শাহীওয়াল : এ জাতের গাভী প্রায় প্রতিদিন ১৫ থেকে ২৫ লিটার পর্যন্ত দুধ উৎপাদন
করতে পারে।
গির: গির জাতের গাভীর সাধারণত প্রায় প্রতিদিন ১৫ থেকে ২৫ লিটার পর্যন্ত দুধ
দেয়।
হলেস্টিন ফ্রিজিয়ান:সারা বিশ্বে দুধ উৎপাদনে এবং উন্নত জাত হিসেবে পরিচিত
জনপ্রিয়। এই জাতের গাভীর সাধারণত প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩৫ লিটার পর্যন্ত দুধ দিয়ে
থাকে। তবে কিছু কিছু গাভী ৪০ থেকে ৪৫ লিটার পর্যন্ত দুধ উৎপাদনের সক্ষম।
ফ্রেগভি গরুর বৈশিষ্ট্য কি কি?
এটাই একমাত্র জাত যে জাতের গরু মাংস এবং দুধ উৎপাদন দুটোর জন্যই জনপ্রিয়। এ
জাতের গরুর দুধের ফ্যাট এবং প্রোটিন দুটোই অন্যান্য জাতের থেকে বেশি। এ জাতের গরু
যেমন শীত প্রধান দেশে মানিয়ে নিতে পারে তেম নি কেনিয়ার প্রচণ্ড তাপেও কোন
সমস্যা হয় না। গরুর দুধের ফ্যাট ৪. ২ থেকে ৪. ৪ শতাংশ পর্যন্ত। মিল্ক প্রোটিন ৩.
৫-৩. ৮% পর্যন্ত। প্রথম বাচ্চা উৎপাদন কালে প্রায় প্রতিদিন ২২ লিটার দুধ দেয়।
পরবর্তী বাচ্চা প্রসব এর পর প্রতি উৎপাদন কালে প্রায় ২৯ থেকে ৩২ লিটার পর্যন্ত
দুধ দিয়ে থাকে। এই জাতের দুধের ফ্যাট ও প্রোটিন অন্যান্য জাতের থেকে অনেক বেশি।
ফ্রেগভি গাভী থেকে জন্ম নেয়া ফ্রেগভি ষাঁড় বাচ্চা প্রথম ২০০ দিনে
দেড় কেজি করে ওজন বৃদ্ধি পায়।যা কিনা যেকোন জাতের থেকে অনেক বেশি। এ জাতের গরুর
মাংস ইউরোপিয়ান যেকোনো জাতের গরুর মাংস থেকে হয়ে অনেক বেশি সুস্বাদু হয়ে
থাকে।গরু দেখতে অনেক বেশি সুন্দর যার কারণে ইউরোপিয়ান যে কোন ইউরোপিয়ান জাতের
ব্রীড এর চেয়ে অনেক বেশি। এ জাতের একটি ষাঁড়ের উচ্চতা ১৫০ থেকে ১৬৫ সেন্টিমিটার
পর্যন্ত হয়ে থাকে। গাভীর ওজন হয়ে থাকে ১৪০ থেকে ১৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত। এ
জাতের ষাঁড় গরুর ওজন হয়ে থাকে ১১০০ থেকে ১৩০০ কেজি পর্যন্ত।এবং একটি গাভীর ওজন
৭০০-৮০০ কেজি পর্যন্ত।
উন্নত জাতের গরুর বীজের নাম সম্পর্কিত বিস্তারিত আলোচনা আপনাদের সামনে তুলে
ধরেছি। আপনি যদি একজন সফল খামারি হতে চান তাহলে উন্নত জাতের গরুর বীজের বৈশিষ্ট্য
সম্পর্কে আপনাকে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। দুধ ও মাংস উৎপাদন এর উপর নির্ভর করে
আপনাকে গরুর বীজ নির্বাচন করতে হবে। আপনি যদি মনে করেন বেশি দুধ উৎপাদন গাভী
নির্বাচন করবেন সে ক্ষেত্রে বীজ বাছাইয়ের সময় ভাল বেশি দুধ দেয় এমন গরুর জাত
নির্বাচন করতে হবে।
তেমনি আপনি যদি মনে করেন আপনি মাংস উৎপাদনে উপযোগী গরুর জাত নির্বাচন করবেন সে
ক্ষেত্রে আপনাকে উপযুক্ত জাতের গরু নির্বাচন করতে হবে। এবং বীজ নির্বাচনের সময়
আপনাকে অবশ্যই ষাঁড়ের প্রজনন ক্ষমতা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সুনিশ্চিত হয়ে তারপরেই
বীজ গ্রহণ করা উচিত অন্যথায় আপনি আপনি এ খামার ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। আশা
করি বুঝতে পেরে বুঝতে পেরেছেন। আজকে এ পর্যন্তই আর্টিকেলটি ভালো লাগলে শেয়ার
করার অনুরোধ থাকলো।
Growwithnazmin এর'র নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url