বাংলাদেশ থেকে সাউথ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে বিস্তারিত জেনে নিন

অনেকেই সাউথ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে এ বিষয়ে জানতে চান। দক্ষিণ কোরিয়ার উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবন যাপনের জন্য বাংলাদেশের অনেক মানুষই দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে আগ্রহী।


বাংলাদেশ-থেকে-সাউথ-কোরিয়া-যেতে-কত-টাকা-লাগে

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশিদের জন্য বিভিন্ন সেক্টরে কাজ রয়েছে যেমন রোড ও কনস্ট্রাকশন হোটেল ম্যানেজমেন্ট সহ স্টাফ ওয়েটার ও রাঁধুনিদের কাজের চাহিদা বেশি। আজকের আর্টিকেলে দক্ষিণ কোরিয়া কত টাকা লাগে দক্ষিণ যাওয়ার নিয়ম সহ আরো বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিত আপনাদের সামনে তুলে ধরব।

পেইজ সূচিপত্র : বাংলাদেশ থেকে সাউথ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে?

 বাংলাদেশ থেকে সাউথ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে?

 সাউথ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে এটা আসলে নির্ভর করে আপনি কি উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন কোন বিষয়ে যাচ্ছেন কি পদ্ধতিতে যাচ্ছেন তার উপর এছাড়া রয়েছে বিমান ভাড়া ভিসা প্রসেসিং ভিসা ফি কতদিন থাকবেন, থাকা খাওয়ার খরচ প্রভৃতির ওপর। বাংলাদেশ থেকে সাউথ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে ২০২৫ সালে তার একটি আনুমানিক ধারণা নিচে উল্লেখ করা হলো।

 বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়া যেতে সাধারণত প্রায় ২, ৫০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩,৫০,০০০ টাকা লাগে। এবং ফ্লাইট খরচ ৭০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মতো লাগে। ফ্লাইটটি সরাসরি ঢাকা থেকে সিউল যাবে।ভিসা ফী সাধারণত ৪৫০০ টাকার মত লাগে। কোরিয়াতে এক মাসে থাকতে চাইলে থাকা খাওয়া খরচ বাবদ এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা থেকে প্রায় ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে।
 
সরকারিভাবে আবেদন করলে এতে খরচ অনেক কম হয়। বিশ্বস্ত এজেন্সির মাধ্যমে ভ্রমণ করবেন এবং আপনার একাউন্টে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা রাখবেন বিশেষ করে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য।

 বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়া যেতে কত সময় লাগে?

 বাংলাদেশ  থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে কত সময় লাগে সেটির নির্ভর করে ফ্লাইট এর রুট,এয়ারলাইন্স ও ট্রানজিট সময়ের উপর। বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে সাধারণত ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টার মতো সময় লাগতে পারে তবে সেটা নির্ভর করছে ট্রানজিট  এর ওপর যেহেতু ঢাকা থেকে সরাসরি সিউল ( দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী )এর কোন ফ্লাইট নেই সে ক্ষেত্রে ট্রানজিট নিতে হয়।ট্রানজিট এ কতক্ষণ অপেক্ষা করবে সেটা নির্ভর করছে এয়ারলাইন্সের।যেহেতু বিভিন্ন এয়ারলাইন্স বিভিন্ন রূট দিয়ে ভ্রমণ করে সে ক্ষেত্রে সময় কম বেশি হতে পারে।

 বাংলাদেশ থেকে সাউথ বা দক্ষিণ কোরিয়ার দূরত্ব কত?

 হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,ঢাকা  থেকে কোরিয়ার রাজধানী সিউল এর প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটির নাম ইনচন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এর দূরত্ব প্রায় ২৩২৪. ৩ মাইলস, ৩৭৪০.৭ কিলোমিটার বা ২০১৯.৮ নটিকেল মাইলস। এ দূরত্বটি ঢাকা থেকে সিউল এর দূরত্ব বিমান পথে। বাই রোডে এ দূরত্ব আরো বেশি হবে। তবে দক্ষিণ কোরিয়ায় অন্য কোন শহরে যেতে সময় আরো বেশি অথবা কম লাগতে পারে।বাই রোডে বা সড়কপথে ঢাকা টু সিউল এর দূরত্ব ৩৪০৩. ৯ মাইলস বা ৫৪৭৮.১ কিলোমিটার। সময় লাগতে পারে প্রায় ৭৩ ঘণ্টা ২১ মিনিট।

 সরকারিভাবে সাউথ কোরিয়া যাওয়ার উপায়

 এইচ আর ডি কোরিয়ার ঘোষণা অনুযায়ী ২০২৫ সালের জুন মাসে কোরিয়ান সার্কুলার অনুযায়ী ইপিএস টপিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যারা সরকারিভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে চান তাদের অবশ্যই দক্ষিণ কোরিয়ার ভাষা শিখতে হবে। এই সার্কুলারে আবেদন করতে হলে আপনাকে এসএসসি পাশ হতে হবে। আপনার বয়স ১৮ থেকে ৩৯ এর মধ্যে হতে হবে। আপনি যদি কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারেন তাহলে খুব স্বল্প খরচে দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে পারবেন।
 
বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে কোরিয়ায় আসতে আপনাকে অবশ্যই ভাষা শিখতে হবে। সরকারিভাবে আসতে আপনার কোন দালালের প্রয়োজন নেই এটি সম্পূর্ণ বহন করবে বোয়েসেল (BOESL) বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড জনশক্তি রপ্তানি কাজে নিয়োজিত সরকারি মালিকানাধীন এর সংস্থা। আপনি কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার পরীক্ষা দিবেন স্কিল টেস্ট দিবেন, মেডিকেল করাবেন,ট্রেনিং করবেন আর এই সমস্ত কিছু নির্দেশনা দিবে বোয়েসেল। সরকারিভাবে আপনি খুবই কম খরচে দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে পারবেন।

 বর্তমানে বোয়েসেল নতুন একটা নিয়ম চালু করেছে সেটি হচ্ছে নতুন যারা আসবে দক্ষিণ কোরিয়ায় তাদের কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা জামানত রাখবে। তবে সেই এক লক্ষ টাকা আপনি আবার ফেরত পাবেন দক্ষিণ করে আসার পর যদি কোন কোম্পানিতে তিন বছর থাকেন তাহলে সে টাকা ফেরত পাবেন। আপনার শুধু প্লেনের খরচটি লাগবে এটাই বাস্তবতা আপনি সরকারিভাবে আসলে আপনি খুব স্বল্প খরচে আসতে পারবেন এখানে কোন দালাল বা প্রতারণের ভয় নেই।

 সাউথ কোরিয়ায় কোন কাজের চাহিদা বেশি 

 সাউথ কোরিয়ায় বরাবরই ওয়েল্ডিং কাজের চাহিদা বেশি।শুধু সাউথ কোরিয়াই নয় প্রায় পৃথিবীর সব দেশেই ওয়েল্ডিং কাজের চাহিদা বেশি। এরপর যে কাজের চাহিদা রয়েছে সেটা হচ্ছে উড জয়নিং বা ফার্নিচার এর কাজ।সবথেকে ভালো হয় আপনারা যদি বাংলাদেশ থেকে কাজ শিখে যান।এরপর হচ্ছে মেটাল  কোম্পানিতে কাজ। মেন্টাল শিল্পে দক্ষ কর্মীর অনেক চাহিদা রয়েছে বিশেষ করে ইস্পাত ও  ধাতু প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে। যদি এই ধরনের কাজ তুলনামূলকভাবে একটু কষ্টের তবে কোরিয়াতে অনেক বাঙালি বেশিরভাগ বাঙালি এই ধরনের কাজ করে।

 সার্টিফাইড ওয়েল্ডার হন তাহলে আপনি অনেক উচ্চ বেতনে চাকরি করতে পারবেন। অনেকেই ৩ লাখ সাড়ে তিন লাখ অনেকেই এর উপরেও সেলারি পেয়ে থাকে। ওয়েল্ডিং কোম্পানিগুলোতে প্রায় ওভারটাইম এর সুযোগ রয়েছে। অনেক কোম্পানিতে বাসস্থান ও খাবারের ব্যবস্থা থাকে। এছাড়া শিববিল্ডিং, স্টিল ফ্যাক্টরি বড় বড় নির্মাণ প্রকল্প ভিসা কোরিয়ায় যেতে পারেন। শিল্পে কাজ করলে আনুমানিক মাসে ১. ৮-২. ৫ মিলিয়ন কোরিয়ান ওন বা তারও বেশি ওভারটাইমসহ উপার্জন করতে পারবেন।

 ওয়েল্ডিং এর কাজ, জাহাজ নির্মাণ,অটোমোবাইল,হেভি ইন্ডাস্ট্রি  ও ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে কাজ করার মানসিকতা থাকে তাহলে নিজেকে এখন থেকেই তৈরি করুন যদিও এই ধরনের শিল্পে কাজ করতে হলে কষ্ট করার মানসিকতা থাকতে হবে কিন্তু আপনি খুব উচ্চ স্যালারিতে কাজ করতে পারবেন। অবশ্যই আপনাকে দক্ষ হতে হবে এবং ভাষা জানতে হবে।

 সাউথ কোরিয়ায় বাংলাদেশিদের ভিসার খরচ কত?

বাংলাদেশ থেকে সাউথ কোরিয়ায় যেতে কত টাকা লাগে সাউথ কোরিয়ায় বাংলাদেশিদের ভিসার খরচ কত এ ধরনের নানা প্রশ্ন আপনারা গুগলে সার্চ করে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে সাউথ কোরিয়ায় বাংলাদেশিদের ভিসার খরচ এটা নির্ভর করবে আপনি কোন ক্যাটেগরির ভিসায় কতদিনের জন্য যাচ্ছেন তার উপর। সাউথ কোরিয়াতে স্টুডেন্ট ভিসা রয়েছে ভিসার ক্যাটেগরি অনুযায়ী ভিসার খরচ হবে। যদি সরকারি ভাবে আসে তাহলে খুবই কম খরচে কুরিয়ার আসতে পারবেন। গেলে শুধু আপনার বিমান ভাড়া লাগবে।ভিসার খরচ ডলার রেটের উপর নির্ভর করে কারণ ডলারে সর্বদাই উঠানামা করে তাই টাকার পরিমাণ কম বেশি হতে পারে।

 দক্ষিণ কোরিয়ায় ভিসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত লাগে। তবে আপনি যদি এজেন্সির মাধ্যমে যান সেখানে আরো অতিরিক্ত ১/২ লক্ষ টাকা খরচ হবে। স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে আপনার যদি আইএলটিএস এর স্কোর ভালো থাকে সেক্ষেত্রে আপনি ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার মধ্যে আসতে পারবেন। তবে ভিসায় সাউথ কোরিয়ায় যান ক্ষেত্রে আপনার ২. ৫ লক্ষ থেকে ৩. ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে এছাড়াও রয়েছে ভিসা ফি সাধারণত ৪,৫০০ টাকা বিমান বিমান টিকেট ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে। নির্ভর করবে আপনি কতদিন থাকবেন কোথায় থাকবেন এবং কেমন খাওয়া-দাওয়া করবেন তার উপরে।

 দক্ষিণ কোরিয়ায় কাজের বেতন কত?

 বিশ্বের যে দেশগুলোতে উচ্চ বেতনে  চাকরি করা যায় তার মধ্যে সাউথ কোরিয়া অন্যতম। যেমন পরিশ্রম রয়েছে তেমনি উচ্চ বেতনও রয়েছে। প্রতিটি বিদেশি শ্রমে অর্থাৎ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা শ্রমিকরা যদি কেউ ইপিএস EPS ক্যাটাগরির ভিসায় আসে মাসিক বাংলাদেশী টাকায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার কিছু বেশি বেতন পাওয়া যায়। কোরিয়াতে ১ থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সপ্তাহে দুই দিন ছুটি পাওয়া যাবে সাথে কুরিয়ার যে কোন সরকারি ছুটি রয়েছে। মান্থলি আপনাকে ২০৯ ঘন্টা কাজ করতে হবে।

 আপনি ২০৯ ঘন্টা কাজ করলে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার বেশি বেতন পাবেন।এরপর আপনি যদি ফোন করেন সেক্ষেত্রে ২. ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।যারা E-9 (EPS শ্রমিক ), E-7 ( দক্ষ পেশাজীবী ) E-7 এর অভিজ্ঞতা সার্টিফিকেট দরকার। আনুমানিক মাসে ১. ৮ মিলিয়ন কোরিয়ান ওন বা তারও বেশি ওভারটাইম সহ আয় করার সুযোগ রয়েছে।

 স্টুডেন্ট ভিসা সাউথ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে?

 আপনারা অনেকেই গুগলে সার্চ করেন বাংলাদেশ থেকে সাউথ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে প্রকৃতপক্ষে এটি নির্ভর করে আপনি কোন ক্যাটাগরির ভিসায় যাবেন তার উপর। সাধারণত স্টুডেন্ট ভিসায় সাউথ কোরিয়ায় আসতে প্রথমেই যেই ঘাটে টাকা খরচ হবে তাহল IELTS।IELTS আপনি কোচিং বা বাসায় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে খরচ ভিন্ন হবে তাই এই খরচটি ব্যক্তিগত খরচ এ রেখে দিন।এখন যদি পরীক্ষা দেয়ার হিসাব থেকে খরচ বলি আপনার প্রায় ২১ হাজার টাকার মতো খরচ হবে। 

এরপর আপনার যে খরচটি লাগবে সেটা হচ্ছে আপনি যে বিশ্ববিদ্যালয়ে জন্য আবেদন করবেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম আপনাকে ৫০ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত খরচ করতে হবে তবে এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর নির্ভর করে কমবেশি লাগতে পারে। অর্থাৎ বাংলা টাকায় ১০ হাজার টাকার মতো খরচ করতে হবে। 

এরপর যে ধাপ রয়েছে নোটারি এটাস্টেশন স্টেশনের পর আপনার অফার লেটার ওর জন্য যে সমস্ত ডকুমেন্টেশন গুলো আছে এগুলো সাউথ কোরিয়ার ইউনিভার্সিটিতে পাঠাতে হয়  যা ডিএইচএল করার মাধ্যমে পাঠাতে হয় যেখানে ৩. ৫ থেকে ৪ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। ডকুমেন্ট রেডি করতে অ্যাটেস্টেশন করতে নোটারি করতে ১০ থেকে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত গড়ে খরচ হতে পারে।

 মেডিকেল খরচ ১৫০০ টাকার মত খরচ হয়। টিউশন ফি বাবদ ২ লক্ষ থেকে ৩. ৫ লক্ষ টাকার মত খরচ হতে পারে সেটা আপনার IELTS এর মার্কস এর ওপর স্কলারশিপ নির্ভর করে আবার কখনো কখনো একাডেমিক রেজাল্টও নির্ভর করতে পারে। মূলত বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কলারশিপ এর উপর নির্ভর করে। তবে আপনি টিউশন ফি বাবদ এবারে ৩ লক্ষ টাকা ধরে রাখতে পারেন। কারো যদি IELTS এর স্কোর ৬. ৫ বা ৭ থাকে সেক্ষেত্রে ২. ৫ লক্ষ অথবা ২ লাখ টাকায় নেমে আসতে পারে।আপনি যখন এম্বাসি ফেস করতে যাবেন বাবদ ৬৭০০ টাকার মতো লাগতে পারে। 

আপনি যদি এজেন্সির মাধ্যমে যেতে চান এখানে প্রায় এক লাখ টাকার মতো এজেন্সিতে খরচ হবে এরপর রয়েছে বিমান টিকেট বিমান টিকেট ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা পারে যদিও বিমানের টিকিটের মূল্য ওঠানামা করে। বলা যায় ৫. ৫ লক্ষ থেকে ৬ লাখ টাকার মত আপনার খরচ রয়েছে সাউথ কোরিয়ায় আসা বাবদ। সাথে আরো অনেক প্রতিটা কি খরচ রয়েছে যেগুলো উল্লেখ করা হয়নি সেগুলো ব্যক্তি বিশেষে কম বেশি হতে পারে এমন যাতায়াত ভাড়া শপি, খরচ ইত্যাদি।

দক্ষিণ কোরিয়ার লটারি ২০২৫ কবে ছাড়বে?

সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, সর্বশেষ যে লটারি হয়েছিল সেখানে যারা অ্যাপ্রুভাল পেয়েছে অর্থাৎ সাউথ কোরিয়া যাওয়ার জন্য গ্রিন সিগন্যাল পেয়েছিল তাদের ভিসা এখনো আসেনি তবে তাদের ভিসা আসার পরে নতুন নতুন সার্কুলার ২০২৫ লটারি ছাড়বে। ধারণা করা যায় এই বছরের শেষের দিকে হয়তো এই সার্কুলার প্রকাশিত হবার সম্ভাবনা খুব বেশি।

শেষ কথা :বাংলাদেশ থেকে সাউথ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে?

 বাংলাদেশ থেকে সাউথ কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে সাউথ কোরিয়ার বিভিন্ন ভিসা সংক্রান্ত আরো অনেক বিষয়ে আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের জন্য তুলে ধরেছি। তবে আপনি যদি দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চ বেতনে যেতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে যেমন আপনাকে দক্ষ অভিজ্ঞ ও সার্টিফাইড হতে হবে। ছাড়া আরো কিছু সমস্যা রয়েছে যেমন আপনার বিরুদ্ধে যদি ফৌজদারি মামলা, সিফিলিস যক্ষা বা বি ভাইরাস এর মত রোগ থাকে সেক্ষেত্রে আপনারা সাউথ কোরিয়ায় আসতে পারবেন না।
 
এছাড়া আপনার যদি বর্ণ অন্ধতা বা কালার ব্লাইননেস থাকে অর্থাৎ বিশেষ কোন রং চিনতে সমস্যা থাকে সেক্ষেত্রে সাউথ কোরিয়ার যাবার জন্য চেষ্টা না করে অন্য কোন দেশ অথবা নিজের দেশে অন্য কোন কাজ খোঁজার চেষ্টা করবেন।প্রিয় পাঠক আপনি যদি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আজকের আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তাহলে আশা করছি উপকৃত হবেন। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিত জনদের নিকট শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইল।

 










এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

Growwithnazmin এর'র নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url