চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের উপায় নিয়ে চিন্তিত? তাহলে আপনি ঠিক আর্টিকেলটি
পড়ছেন।এই আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
বাড়তি উপার্জন করতে কে না চায় নিজের ও পরিবারের অন্যান্য
সদস্যদের চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারার সুযোগ।আজকের এই আর্টিকেলের চাকরির পাশাপাশি
বাড়তি আয়ের উপায় সম্পর্কে আপনাদের সামনে তুলে ধরব।
পেইজ সূচিপত্র: চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের উপায়
চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের উপায়
চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের উপায় অনেক রয়েছে। অনলাইন ভিত্তিক ও অফলাইন
ভিত্তিক দুই রকম কাজে চাইলে আপনি করতে পারেন। আর তার জন্য দরকার প্রবল ইচ্ছা
শক্তি। আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট বিষয় দক্ষ হন তাহলে অনলাইনে টিউটোরিয়াল ও কোচিং
শুরু করতে পারেন। কর্মজীবন শুরু করার পরেও কর্মজীবনের আগে বা পরে কিংবা ছুটির
দিনেও আপনি কাউকে পড়াতে পারেন। অথবা পড়ালেখার বাইরে ও এমন কিছু আপনার শেখাতে
পারেন যেটাতে আপনি নিজে দুঃখ যেমন ছবি আঁকা আবৃত্তি শিখানো হাতের লেখা ইত্যাদি।
আপনার কর্ম ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং যদি কোন সমস্যা না হয় এবং এটি আপনাকে কোন
আইনির সমস্যায় না তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন।
আপনি লিখতে পারেন বা গ্রাফিক ডিজাইনিং করতে পারেন প্রোগ্রামিং বা ডিজিটাল
মার্কেটিং ও কাজ করতে পারেন। এতে দক্ষতা প্রমাণের পাশাপাশি আপনি বাড়তি আয় করার
সুযোগ পাবেন।এছাড়া মহিলারা নকশা করা মেহেদী দেয়া,পোশাক তৈরি হোমমেড কেক ফুড এই
যদি দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে ছোট পরিসরে শুরু করতে পারেন। এছাড়া নিজস্ব বাহন থাকলে
অফিসের আগে বা পরে রাইড শেয়ারিং এর মাধ্যমে আয় করার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া ছাদে
বা বাড়ির উঠোনে বাগান করা শখের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে বেশ লাভজনক হয়ে উঠেছে
আজকাল।
অনেক পণ্য রয়েছে যেগুলো পাইকারি দামে কিনে খুচরা দামে বিক্রি করতে পারেন।
পরিচিতজনদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানালে অনেকেই আগ্রহী হবেন কিনতে। পাশাপাশি
অনলাইনে প্রচার করেও বিক্রি করতে পারেন। তবে সহজে বাড়তি রোজগারের আশায় লটারি
জুয়া, কম বিনিয়োগে বেশি মুনাফা এমন চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে অনেকেই ভুল পথে পা
বাড়ায় এটা করা যাবে না। অনেকেই বাড়ির ভেতর সাবলেট ভাড়া দিয়ে থাকেন বাড়তি
রোজগারের আশায় সেক্ষেত্রে ভালোভাবে যাচাই-বাচায় করে নিন না হলে সমস্যায় পড়তে
পারেন। চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের অনেক উপায় রয়েছে সে ক্ষেত্রে আপনার জন্য
পরিচয় উপযোগী সেই দিকে এগোবেন।
চাকরির পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করে আয়
চাকরির পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে চাইলে আপনাকে দুটি বিষয় মাথায়
রাখতে হবে প্রথমত আপনার প্রচুর ধৈর্য এবং প্রবল ইচ্ছা শক্তি থাকতে হবে। আর তা যদি
না থাকে তাহলে আপনার ফ্রিল্যান্সিং এ না আসাই ভাল। আপনাকে বেশ কিছু দক্ষতা অর্জন
করতে হবে যেমন গ্রাফিক ডিজাইনিং ডিজিটাল মার্কেটিং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।
তারপর নিজের একটি প্রোফাইল তৈরি করুন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে। তবে এই
কাজগুলো করতে আপনাকে কমপক্ষে ছয় মাস সময় ব্যয় করতে হবে।
তবে প্রথমে আপনাকে ছোট ছোট কাজ দিয়ে নিজেকে তৈরি করতে হবে। সেই সাথে আপনার
ইংরেজির দক্ষতা বাড়াতে হবে। এরপর আপনি ক্লায়েন্টদের সাথে ভালো সম্পর্ক করে
পরবর্তীতে আপনি বড় কাজগুলো দিয়ে ভালো আয় করতে পারবেন। করে আপনার নতুন কাজের
দক্ষতা যেমন তৈরি হবে এবং আপনি চাকরির পাশাপাশি ভালো আয় করতে পারবেন। চাকরির
পাশাপাশি বাড়তি আয়ের উপায় অনেক রয়েছে তবে আপনাকে বেছে নিতে হবে কোনটি আপনার
জন্য উপযোগী।
অনলাইন থেকে আয় করার উপায়
বর্তমানে যুগে সবকিছুই এখন অনলাইন ভিত্তিক। আর তাই ঘরে বসে অনলাইন থেকে আয় করার
উপায়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি চাইলেই ঘরে বসে চাকরির পাশাপাশি আয় করতে পারেন।
শুধু প্রয়োজন কাজের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জন করা। ফ্রিল্যান্সিংয়ের
মাধ্যমে যেমন আপ ওয়ার্ক, ফাইবার মার্কেটপ্লেসে কাজ করে ভালো পরিমাণ আয় করা যায়।
এছাড়া ইউটিউব চ্যানেল খুলে সেখানে কনটেন্ট তৈরি করে আয় ফেসবুকে ব্লগিং করে আয়,
ওয়েবসাইট বানিয়ে বিক্রি করে আয় করা যায়, আর্টিকেল লিখে আয় করা, ওয়েবসাইট
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট, ব্লগিং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, অনলাইনে কোর্স বিক্রি করে
আয় ইত্যাদি।
আর এর জন্য প্রয়োজন প্রচুর ধৈর্য ও প্রবল ইচ্ছা। তবে এই কাজগুলো সবার সাথে সাথে
পরিবর্তিত হয় তাই আপনার নিজেকে সবসময় আপডেট রাখতে হবে। আপওয়ার্ক ফাইবার
মার্কেটপ্লেস এই প্ল্যাটফর্ম গুলোতে লেখালেখি, গ্রাফিক ডিজাইনিং ডেভেলপমেন্ট
কাজগুলো করে আপনি ভালো আয় করতে পারবেন। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সোশ্যাল
একাউন্ট গুলো পরিচালনা করে তাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে প্রচার করে আয় করতে পারবেন।
এছাড়া ই-কমার্স এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। এছাড়া এসিও এক্সপার্ট হিসেবে
প্রদান করে আয় করতে পারবেন।
ওয়েবসাইট বা ব্লগিং করে আয় করার উপায়
ওয়েবসাইট বা ব্লগিং করে আয় করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি ওয়েবসাইট তৈরি
করতে হবে এবং সেখানে নিয়মিত মান সম্মান ব্লগ বা কনটেন্ট পাবলিশ করতে হবে। ব্লগিং
করে আয় করতে হলে আপনাকে গুগল এডসেন্স বা অন্যান্য বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে
বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে ভিজিটেরা যখন আপনার ওয়েবসাইটে
ঢুকবে বিজ্ঞাপন দেখবে বা ক্লিক করবে তখন আপনি উপার্জন করতে পারবেন।
এছাড়া ওয়েবসাইট থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অর্থাৎ অন্য কোন কোম্পানির
প্রোডাক্ট বা সেবা প্রচারের মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। এছাড়াও আপনার
ওয়েবসাইটে নিজস্ব ই-বুক বা কোর্স বিক্রি করে উপার্জন করার সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া
স্পন্সর পোষ্টের মাধ্যমে অর্থাৎ অন্য কোন কোম্পানি বা ব্র্যান্ড ওয়েবসাইটে পোস্ট
করার জন্য আপনাকে অর্থ প্রদান করবে এভাবেও আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন
ওয়েবসাইট থেকে।
ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়
পৃথিবী জুড়ে ভিডিও শেয়ার করার জন্য সবথেকে জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত
মাধ্যম হচ্ছে ইউটিউব। দেশ ও বিদেশের বড় বড় ইউটিউবাররা ইউটিউবে ভিডিও শেয়ারিং
এর মাধ্যমে প্রতি মাসে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা আয় করছে ইউটিউব থেকে। তাহলে আপনি
কেন নন? আপনার যদি ভিডিও বানাতে আগ্রহী হন এবং একটি ভিডিও এডিটিং এর প্রফেশনাল
কোর্স করতে পারেন তাহলে আপনিও এই প্ল্যাটফর্মে সফল হতে পারবেন। ইউটিউব এমন একটি
প্ল্যাটফর্ম এখানে আপনি যদি ধৈর্য সহকারে কাজ করে যান একদিন না একদিন সফলতা
আসবেই।
ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য আপনাকে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে।
-
আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।
- ৪০০০ ঘন্টা ভিউ থাকতে হবে
-
উপরে উল্লেখিত শর্ত দুইটি এক বছরের মধ্যে পূরণ করতে হবে।
-
ইউটিউব শর্টস এ ১০ লাখ থাকতে হবে যা তিন মাসের মধ্যে করতে হবে।
-
আপনার চ্যানেলে কোন কপিরাইট কনটেন্ট থাকা যাবে না
-
ইউটিউবে দেয়া সকল শর্ত সমূহ আপনাকে পালন করতে হবে।
ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়
-
ইউটিউব থেকে আয় করার প্রথম ও প্রধান উপায় হচ্ছে আপনার ইউটিউব
চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে আয় করা।
-
কোন ব্র্যান্ড বা কোম্পানির ফোনের লিংক শেয়ার করা বা এফিলিয়েট মার্কেটিং এর
মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।
-
ইউটিউবাররা স্পন্সার শীপের মাধ্যমে ও টাকা আয় করে থাকে যেমন আপনার চ্যানেল
যখন দিনে দিনে বড় হবে বা জনপ্রিয় হয়ে উঠবে তখন বিভিন্ন কোম্পানির মালিকরা
পণ্য বা সেবা প্রচারের জন্য সরাসরি স্পন্সর করবে।
-
এছাড়া ডোনেশনের মাধ্যমে অর্থাৎ আপনার ফলোয়ার বা ফ্যানরা সরাসরি
আপনাকে ডোনেশন করতে পারেন।
চাকরির পাশাপাশি ব্যবসা করে আয়
অনলাইন অফলাইন দুইভাবেই ব্যবসা করে আয় করা সম্ভব তবে তার জন্য আপনাকে অনেক ধৈর্য
ও পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে। আপনি যদি অল্প বেতনভুক্ত চাকরিজীবী হয়ে
থাকেন তাহলে আপনি চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের উপায় সম্পর্কে ধারণা থাকা
প্রয়োজন।আজকাল অনেকেই চাকরির পাশাপাশি অনলাইন অফলাইন ব্যবসা করছে এবং এতে তারা
লাভবানও হচ্ছে। তবে চাকরির পাশাপাশি আপনি খুব বড় পরিসরে ব্যবসা করতে পারবেন না
সেজন্য আপনাকে প্রচুর সময় দিতে হবে। আপনাকে ছোট পরিসরে ব্যবসা শুরু করতে হবে।
আপনার ব্যবসা যখন দিন দিন বড় হবে তখন আপনি শুধু ব্যবসার মনোনিবেশ করতে পারেন।
চাকরির পাশাপাশি দুই ধরনের ব্যবসা করা যায়।
অনলাইন ব্যবসা
-
আপনি ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম অথবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোতে
অন্য বিক্রি করে আয় করতে পারবেন।
-
অনেকেই অপ্রয়োজনীয় জিনিস বা পুরাতন অনেক জিনিস অনলাইনে মাধ্যমে
বিক্রি করে আয় করে।
-
এছাড়া অনলাইন কোর্স তৈরি ও বিক্রি করার মাধ্যমে আয় করতে পারেন।
-
এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং যেমন অনলাইনে ছোট ব্যবসার জন্য
বিজনেস পেজ পরিচালনা করে পণ্যের প্রচার করে আয় করে থাকে।
-
ফটোগ্রাফি বা ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে আয় করা অর্থাৎ ছবি তুলে স্টক
ফটোগ্রাফি সাইটে
অফলাইন ব্যবসা
-
আজকাল অনেকেই স্ট্রিট ফুড এর ব্যবসা করে থাকে এবং বর্তমানে এটি খুবই
জনপ্রিয়। অল্প বিনিয়োগ একটি ফেন্সি ফুডের গাড়ি ক্রয়ের মাধ্যমে আপনি ছোট
পরিসরে ফুডের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। যেমন পিজ্জা বার্গার স্যান্ডউইচ চটপটি,
ফুচকা, নুডলস ইত্যাদি স্ট্রিট ফুড বিক্রি করে বাড়তি আয় করা সম্ভব।
-
এছাড়া আপনার যদি সম্পত্তি বা নিজস্ব বাড়িতে বাড়তি রুম থাকে তার
আংশিক ভাড়া দিয়েও আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
-
অনেকেই চাকরির পাশাপাশি কোচিং ব্যবসা করে থাকে এটাও চাকরির পাশাপাশি
বাড়তি আয়ের একটি সুযোগ।
-
এছাড়াও আপনি চাইলে একটা অনলাইন পেজ খুলে সেখানে সিজনাল ফল যেমন
আম,লিচু বা অন্যান্য পণ্য বিক্রি করতে পারেন।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি আয় করার উপায়
শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার কাজ করে যেমন আয় থাকতে পারে তেমনি কাজ করার মাধ্যমে
দক্ষতা অর্জন করা হয়। আর এই কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা তার ভবিষ্যৎ জীবনে কর্ম
ক্ষেত্রে কাজে লাগে। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি অনলাইন অফলাইন দুইভাবেই কাজ
করে বাড়তি আয় করতে পারে। আপনি যদি একজন শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন তাহলে সময়
ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পড়াশোনা ও কাজের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা জানতে হবে।যেন
বাড়তি উপার্জন করতে গিয়ে আপনার পড়াশোনার ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে
হবে।
অফলাইনে কাজ করার উপায়
-
পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
-
ছোটখাটো ব্যবসা যেমন স্ট্রিট ফুড বিজনেস করা
-
অনেকে পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট টাইম জব করে থাকে।
-
এছাড়াও আপনি যদি সৃজনশীল হয়ে থাকেন হাতে ধরি বিভিন্ন হস্তশিল্প পণ্য
বিক্রির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
-
এছাড়া আপনি যদি গ্রাফিক্সের কাজে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে ক্যানভা,ফটোশপ
ইত্যাদি দিয়ে ডিজাইন বানিয়ে বিক্রি করতে পারেন।
অনলাইনে কাজ করার উপায়
-
ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করে যেমন গ্রাফিক ডিজাইন কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে
পারে।
-
আর্টিকেল রাইটিং বা ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করা
-
এছাড়াও ডাটা এন্টি, অন্যের ভিডিও এডিটিং এর মাধ্যমেও অর্থ উপার্জন করা
যায়।
-
আপনি যদি ভিডিও এডিটিং এর কাজ জানেন তাহলে ইউটিউবে চ্যানেল খুলে মান
সম্মত বিভিন্ন কনটেন্ট তৈরি করে অর্থ উপার্জন করা যায়।
-
ফেসবুক পেজ তৈরি করে সেখানে ভ্রমণ কুকিং বিনোদন বিষয়ক বিভিন্ন কনটেন্ট
ও ভিডিও পাবলিশ করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।তবে এগুলো সময় সাপেক্ষ
ব্যাপার।রাতারাতি আয় করতে পারবেন না। আপনাকে ধৈর্য সহকারে কাজ করে যেতে হবে
যেমন এক বছর বা দুই বছর।
-
অনলাইন সার্ভে বা জরিপ করার মাধ্যমে আজকাল অনেকে অর্থ উপার্জন করে
থাকে।
-
যারা অনলাইনে বিভিন্ন হস্তশিল্পের প্রোডাক্ট বা অন্যান্য পণ্য বিক্রি
করেও আয় করা সম্ভব।
ডাটা এন্ট্রি করে আয় করার উপায়
চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের উপায় গুলোর মধ্যে ডাটা এন্ট্রি করে আয় ভালো একটি
ভালো একটি অপশন হতে পারে আপনার জন্য। আপনার যদি কম্পিউটার চালানো বা অপারেটরে
বেসিক দক্ষতা থাকে এবং ভালো টাইপিং স্পিড থাকে তাহলে আপনি ডাটা এন্ট্রি করে আয়
করতে পারবেন। ডাটা এন্ট্রি করে আয় করতে চাইলে আপনাকে ফ্রিল্যান্সার আপওয়ার্ক,
মার্কেটপ্লেস, ফাইবার, পিপলপারআওয়ার এর মত ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলোতে
নিজের প্রোফাইল তৈরি করে কাজের জন্য আবেদন করতে পারেন।
এছাড়াও আপনি চাইলে ডাটা এন্ট্রি জবের জন্য বিভিন্ন জব পোর্টালে আবেদন করতে পারেন
যেমন Bdjobs.com,portal.govt.bd,dhaka post এর মত জব পোর্টালে ডাটা এন্ট্রি
চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেন। অনেকেই আছে যারা জবের পাশাপাশি এ ধরনের জব যেমন
কম্পিউটার অপারেটর ডাটা এন্ট্রি জব করে থাকে এবং ভালো একটা ইনকাম করতে পারে।যদিও
এটি কঠিন কিছু না সহজ একটি কাজ তবে এজন্য আপনাকে কম্পিউটারের বেসিক নলেজ ও
টাইপিং জানতে হবে। এই কাজে ভালো ফলাফল পেতে আপনি ডাটা এন্ট্রি কোর্স করতে পারেন
কোন প্রতিষ্ঠান থেকে।
মহিলাদের ঘরে বসে কাজ করার উপায়
বর্তমান যুগে মহিলারা কোন কিছুতেই পিছিয়ে নেই তারা ঘরে বাইরে সব দিকে
সমানভাবে নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে। মহিলাদের ঘরে বসে কাজ করার বিভিন্ন রকম
উপায় রয়েছে বিশেষ করে অনলাইনের মাধ্যমে মহিলারা বিভিন্ন উপায়ে যেমন
ফ্রিল্যান্সিং ব্লগিং অল্প মুদ্রণ নিয়ে ছোটখাটো ব্যবসা করে ফুড বিজনেস করে ভালো
অর্থ উপার্জন করছে। এছাড়া অনেকেই ঘরে বসে টিউশনি করে উপার্জন করছে। অনেকেই
ফেসবুক পেজ বা ইউটিউবে ব্লগিং ভিডিও আপলোড করে টাকা উপার্জন করছে। আবার অনেকে
সেলাই কাজ, বেকিং আইটেম তৈরি, কেউবা আবার ছাদে বিভিন্ন রকম সবজির ও ফলের চাষ করে
উপার্জন করছে। এই সকল উপায় ঘরে বসে আয় করে তার নিচে তুলে ধরা হলো।
ডিজিটাল মার্কেটিং
মহিলারা ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করে নিজেদেরকে দক্ষ করে ঘরে বসে ইনকাম করতে
পারে।
হস্তশিল্প ও ক্র্যাফট বিজনেস
মহিলারা হাতে তৈরি বিভিন্ন জিনিস যেমন মাটির হাড়ি পাতিল,গয়না, সেলাই,
জিনিসপত্র, হাতে তৈরি বিভিন্ন শোপিস আইটেম তৈরি করে অনলাইন অথবা অফলাইন দুইভাবেই
বিক্রি করতে পারে।
কুকিং ও বেকিং এর মাধ্যমে উপার্জন
বর্তমানে অনেকেই অনলাইনে হোমমেড ফুড ও বেকিং আইটেমের খাবারগুলো অনলাইন পেজের
মাধ্যমে প্রচার করে বিক্রি করে আয় করছে।
সেলাই কাজ করে অর্থ উপার্জন
জামা কাপড় তৈরি কাঁথা তৈরি ইত্যাদি সেলাই কাজ করে আয় করা যায়।
অনলাইন শপ
ফেসবুক পেইজে অনলাইন শপ তৈরি করে সেখানে বিভিন্ন রকম মেয়েদের প্রসাধু নিয়ে
জুয়েলারি হস্তশিল্প আইটেম বিক্রি করে উপার্জন করে থাকে।
ওয়েবসাইট বা ব্লগিং এর মাধ্যমে আয়
অনেকেই ওয়েবসাইট আর্টিকেল লেখালেখি করে অর্থ উপার্জন করে থাকে। এবং সেই সাথে
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করেও অর্থ উপার্জন করে।
ইউটিউব ও ফেসবুকের মাধ্যমে আয়
আজকাল ঘরে ঘরে মহিলারা ইউটিউব ও ফেসবুকে পেজ তৈরি করে রান্নার ভিডিও, ভ্রমণ ভিডিও
ও দৈনন্দিন জীবনের
ভিডিও শেয়ার করে আয় করছে বর্তমানে এটি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
টিউশনি করে আয়
আপনি যদি কোন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে অনলাইন অফলাইন দুই ক্ষেত্রেই টিউশনি
করে বা ছোট বাচ্চাদের লেখাপড়া শিখিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
শেষ কথা: চাকরির পাশাপাশি আয় করার উপায়
চাকরির পাশাপাশি আয় করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।
চাকরির পাশাপাশি আয় করা কিছুটা কষ্টসাধ্য তবে আপনি যদি বাড়তি ইনকাম করতে চান সে
ক্ষেত্রে আপনার আগ্রহ এবং বর্তমান সময়ের কাজের চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে দক্ষ করে
তুলতে হবে। আপনি এমন কাজ বেছে নিন যে কাজে আপনার আগ্রহ রয়েছে তাহলে আপনি সফল হতে
পারবেন। বাড়তি ইনকাম করতে গিয়ে চাকরির ক্ষতি বা চাকরি নীতিমালা বিরুদ্ধে এমন
কোন কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।
চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয় করতে গেলে প্রতিদিন অনেক সময় ব্যয় হবে সে ক্ষেত্রে
আপনাকে সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে জানতে হবে যেন নিজের শারীরিক ও মানসিক
স্বাস্থ্যের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পরে। তাই এমন কাজ বেছে নিন যা ফুলটাইম চাকরির
পাশাপাশি করলে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে না। আশা করি আমাদের এই আর্টিকেলটি যদি
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাহলে উপকৃত হবেন। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনার নিকট
আত্মীয়র পরিচিতজন ও বন্ধু বান্ধবের নিকট শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইল।
Growwithnazmin এর'র নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url